ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইন ও সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ হবে এলপিজির দাম

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ৩০-১০-২০২৬ ১২:০৭:১০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ৩০-১০-২০২৬ ১২:০৭:১০ অপরাহ্ন
আইন ও সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ হবে এলপিজির দাম ফাইল ছবি
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান, আবেদনকারীদের প্রস্তাব, কারিগরি মূল্যায়ন দলের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, এলপিজির দামের বিষয়ে গণশুনানির পর লিখিত মতামত ও প্রস্তাব আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনে জমা দেয়া যাবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকার বিয়াম মিলনায়তনে বেসরকারিভাবে বাজারজাত এবং সরকারিভাবে সরবরাহ করা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ভোক্তা পর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী এ শুনানির আয়োজন করা হয়।

এতে বিভিন্ন আমদানিকারক কোম্পানি ও পরিবেশকেরা তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। সবচেয়ে বেশি ব‍্যবহৃত ১২ কেজির সিলিন্ডারে আমদানিকারকেরা কমিশন হিসেবে ৩০০ টাকার বেশি ও পরিবেশকেরা ১৫০ করার দাবিসংবলিত প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। ১২ কেজির সিলিন্ডারে বর্তমান কমিশন ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ওমেরা ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা দাবি করেছে। তবে সবচেয়ে কম ৩০০ টাকা করার প্রস্তাব করেছে মেঘনা গ্রুপ।

অন্যদিকে পরিবেশকেরা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা, খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণের আবেদন করেছেন। এ ছাড়া পরিবহনে ব‍্যবহৃত অটোগ‍্যাসের প্রতি লিটারের কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিইআরসির এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুনানিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস পিএলসি, বেসরকারি আবেদনকারী, অপারেটর, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা এবং অটোগ্যাস স্টেশনের প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেন। কমিশন গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন দলও তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।

কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির পক্ষ থেকে ভোক্তা পর্যায়ে দাম নির্ধারণের আইনি দিক, কমিশনের দায়িত্ব এবং দাম নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করা হয়।

এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজন শুনানিতে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন 
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ